মঙ্গলবার, ৮ জুলাই, ২০১৪

ফেসবুক ও গুগলেসহ তথ্যপ্রযুক্তি খাতে অর্থ পাচার বন্ধে আন্দোলনে যাচ্ছে আইসিটি মুভমেন্ট

পাচারকৃত অর্থ ফিরিয়ে আনার দাবি


বাংলাদেশের চিহ্নিত কিছু ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান ও গোষ্ঠী বিদেশের ওয়েব সাইটে অবৈধভাবে বিজ্ঞাপন প্রচারের নামে বিপুল পরিমাণ অর্থ বিদেশে অবৈধভাবে পাচার করছে। ফেসবুক মোবাইল নোটিফিকেশনের মাধ্যমে টেলিকম অপারেটরদের মাধ্যমে প্রতিদিন কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। এসব পাচারকারীরাই ফরেক্স ও ফরেন এমএলএম ব্যবসার নাম করে অসংখ্য নাগরিকদের কাছ থেকে কোটি কোটি টাকা দালালদের মাধ্যমে হাতিয়ে নিয়ে বিদেশে পাচার করে দিচ্ছে। এছাড়া বাংলাদেশে শতাধিক অবৈধ অনলাইন পেমেন্ট গেটওয়ে বিদেশে অর্থ পাচার করছে বলে অভিযোগ করেছেন আইসিটি মুভমেন্টের কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক জুলীয়াস চৌধুরী।

সোমবার, ৯ ডিসেম্বর, ২০১৩

ইন্টারনেটের মূল্য নির্ধারণী বৈঠকে অপারেটরদের অংশগ্রহণ না করার প্রতিবাদ

বেসরকারী টেলিকম অপারেটররা গত ২ ও ৪ ডিসেম্বর ২০১৩ খৃস্টাব্দ বিটিআরসির গ্রাহক পর্যায়ে ইন্টারনেট ব্যাবহারের মূল্যহার নির্ধারণী বৈঠকে অংশগ্রহণ করেননি। অথচ তারা আজ সোমবার বাংলাদেশ সচিবালয়ে গিয়ে ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী রাশেদ খান মেননের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। এ ঘটনার নিন্দা জানিয়েছেন ইন্টারনেটের যৌক্তিক মুল্যহার নির্ধারণে আন্দোলনরত সংগঠন তথ্যপ্রযুক্তি আন্দোলন।

শুক্রবার, ১১ অক্টোবর, ২০১৩

থ্রিজি ইন্টারনেটের উচ্চমূল্য অনুমোদন দিয়ে বিটিআরসি জাতির সঙ্গে প্রতারণা করেছে

প্রতারক কর্মকর্তাদের তাড়িয়ে দিতে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে বিটিআরসিতে যাবে তথ্যপ্রযুক্তি আন্দোলন

গ্রাহক পর্যায়ে ইন্টারনেট ব্যাবহারের মূল্যহার নির্ধারণ, ঘোষণা ও বাস্তবায়নে আশ্বস্ত করে একদিকে কালক্ষেপণ অন্যাদিকে থ্রিজি ইন্টারনেটের উচ্চমূল্য অনুমোদন দিয়ে বিটিআরসি জাতির সঙ্গে প্রতারণা করেছে। এ জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের শাস্তি দিতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ এবং প্রতারক কর্মকর্তাদের তাড়িয়ে দিতে আগামী ২৮ অক্টোবর ২০১৩ খৃস্টাব্দ সোমবার বিকেল বিকেল সাড়ে ৩টায় বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে বিটিআরসিতে যাবে তথ্যপ্রযুক্তি আন্দোলন। এছাড়া গ্রাহক পর্যায়ে ইন্টারনেট ব্যবহারের উপযুক্ত মূল্যহার বিটিআরসি কর্তৃক নির্ধারণ ঘোষণা ও বাস্তবায়নের জন্য মহামান্য হাইকোর্টে রীট আবেদন করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।

রবিবার, ৬ অক্টোবর, ২০১৩

কোরবানীর পশু নিয়ে জুয়া বন্ধের দাবি তথ্যপ্রযুক্তি আন্দোলনের

আকিজ ফুড অ্যান্ড বেভারেজ লিমিটেডের স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর কথিত কোমল পানীয় ‘মজো’ কুরবানী এবং কোরবানীর পশু নিয়ে এসএমএর-এর মাধ্যমে জুয়ার আয়োজন করায় এর তীব্র নিন্দা প্রতিবাদ ও অবিলম্বে বন্ধের দাবি জানিয়েছে তথ্যপ্রযুক্তি আন্দোলন।

শুক্রবার, ৪ অক্টোবর, ২০১৩

থ্রিজি ইন্টারনেটের উচ্চমূল্য অনুমোদনের প্রতিবাদ

বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) কর্তৃক থ্রিজি ইন্টারনেটের উচ্চমূল্য অনুমোদনের প্রতিবাদে আইসিটি মুভমেন্টের সভা আগামী ১১ অক্টোবর শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৩টায় সংগঠনের নিজস্ব কার্যালয় ১৪ পুরানা পল্টন, দার-উস-সালাম আর্কেড (৯ম তলা), ঢাকা ১০০০, বাংলাদেশ-এ অনুষ্ঠিত হবে।

থ্রিজি ইন্টারনেটের সঠিক মূল্য নির্ধারণ এবং উচ্চমূল্য অনুমোদনকারী দোষীদের উচিৎ শিক্ষা না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলনের কঠোর কর্মসূচি সভা থেকে গ্রহণ ও শুরু করা হবে।

সভায় সংগঠনের সকল কর্মকর্তা ও সদস্য এবং আগ্রহীদের উপস্থিত থাকার জন্য অনুরোধ জানানো হলো।

বৃহস্পতিবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৩

ইন্টারনেটের দাম নিয়ে গ্রামীণফোনের প্রতারণা

ইন্টারনেটের দাম নিয়ে মোবাইল ফোন অপারেটর গ্রামীণফোন গ্রাহকদের সঙ্গে প্রতারণা করছে। আর এ বিষয়টি বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) নজরে আসার পরও তা বন্ধ হচ্ছে না। এতে আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে প্রতিষ্ঠানটির ইন্টারনেট ব্যবহারকারীরা।

শনিবার, ৬ জুলাই, ২০১৩

গ্রাহক পর্যায়ে ইন্টারনেটের দাম কমবে আগস্টে | বিভ্রান্ত না হবার অনুরোধ

‘তথ্যপ্রযুক্তি খাতে কোন নতুন অসঙ্গতী হলে এবং গ্রাহকদের স্বার্থ নিয়ে ছিনিমিনি খেলার চেষ্টা করলে সংশ্লিষ্টদের উচিৎ শিক্ষা দেয়া হবে।’
ইন্টারনেটের দাম কমিয়েছে বলে বিজ্ঞাপন ও সংবাদ প্রচারে গ্রাহকদের বিভ্রান্ত না হবার অনুরোধ জানিয়েছে তথ্যপ্রযুক্তি আন্দোলন। আজ শনিবার সকাল ১১টায় সংগঠনের পুরানা পল্টনস্থ নিজস্ব কার্যালয়ে তথ্যপ্রযুক্তি আন্দোলনের কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক জুলীয়াস চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক সভায় এই তথ্য জানানো হয়। একই সঙ্গে গ্রাহকদের স্বার্থ নিয়ে ছিনিমিনি না খেলতে বিটিআরসি ও অপারেটরদের সতর্ক করা হয়। সম্প্রতি কয়েকটি টেলিকম আপরেটর পি১ প্যাকেজের দাম কমিয়েছে বলে বিজ্ঞাপন ও সংবাদ প্রচার করে গ্রাহকদের বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছে।

শুক্রবার, ২৮ জুন, ২০১৩

বুধবার, ২৬ জুন, ২০১৩

কস্ট মডিউল ছাড়া ওয়াইফাই ইন্টারনেটের দাম অস্বাভাবিক বেশি নির্ধারণের প্রতিবাদ

বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) কর্তৃক কস্ট মডিউল ছাড়া একতরফাভাবে ওয়াইফাই ইন্টারনেট সার্ভিসের অস্বাভাবিক বেশি দাম নির্ধারণের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে তথ্যপ্রযুক্তি আন্দোলন। আজ বুধবার সকাল ১১টায় সংগঠনের পুরানা পল্টনস্থ নিজস্ব কার্যালয়ে তথ্যপ্রযুক্তি আন্দোলনের কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক জুলীয়াস চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক সভায় এই নিন্দা ও প্রতিবাদ জানানো হয়।

মঙ্গলবার, ২৫ জুন, ২০১৩

তথ্যপ্রযুক্তি আন্দোলনের দাবি ও কর্মসূচি

ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার অন্যতম অনুসঙ্গ ইন্টারনেট সহজলভ্য হওয়া প্রয়োজন। বর্তমানে অনেক ছাত্র-ছাত্রী, তরুণ ঘরে বসেই ফ্রিল্যান্সিং এর মাধ্যমে প্রতিদিন বৈদেশিক মুদ্রা দেশে এনে দেশের জাতীয় অর্থনীতিতে ভূমিকা রেখে চলেছেন। ইন্টারনেট সহজলভ্য হলে এই অগ্রযাত্রা আরো বেগবান হবে। বাংলাদেশের জন্য পর্যাপ্ত ইন্টারনেট ব্যান্ডউইথ রয়েছে। তথ্যপ্রযুক্তির উন্নয়নের মাধ্যমে দেশের উন্নয়নের জন্য প্রতিটি গ্রামে স্বল্পমূল্যে দ্রুতগতির ইন্টারনেট দিতে হবে।

বর্তমানে গ্রামীণফোনের পি৩ প্যাকেজে ১ গিগাবাইট ইন্টারনেট ব্যবহারের খরচ ৫০.০০ টাকার কম এবং টেলিটক থ্রিজি এফ৩ প্যাকেজে গ্রাহকের ১ গিগাবাইট ইন্টারনেট ব্যবহারের খরচ ৩৫.০০ টাকার কম। বর্তমানে আইএসপির জন্য প্রতি ১ সেকেন্ডে ১ এমবিপিএস হারে মাসের ব্যান্ডউইথের মূল্য ১ লাখ ২৭ হাজার টাকা থেকে কমিয়ে ৪ হাজার ৮০০ টাকা করা হয়েছে। বিটিআরসি থেকে ঘোষিত গ্রাহক পর্যায়ের নতুন মূল্যহারে অবশ্যই ওই অনুপাতে কমাতে হবে।
গ্রাহক পর্যায়ে ইন্টারনেট ব্যবহারের মূল্যহার বিটিআরসি কর্তৃক প্রতি মেগাবাইট ১০ পয়সা এবং প্রতি গিগাবাইট ১০ টাকা হারে এবং সর্বনিন্ম গতি ৫১২ কিলোবাইট অবিলম্বে ঘোষণা ও বাস্তবায়নের করতে হবে।

গ্রাহক পর্যায়ে ইন্টারনেটের মূল্যহার ঘোষণার ক্ষেত্রে বিটিআরসি ও আইএসপিগুলোর অন্যতম অজুহাত কস্ট মডিউল নির্ধারণ। মোবাইল টেলিফোনের কলচার্জ নির্ধারণের সময় টেলিকম অপারেটরগুলো নিজেরা কস্ট মডিউল নির্ধারণ করে বিটিআরসিকে জানিয়েছিল কল/মিনিট প্রতি তাদের খরচ হয় ৪ টাকা ৬০ পয়সা। অংকটি অস্বাভাবিক মনে হওয়ায় বিটিআরসির তৎকালীন কমিশন উপদেষ্টা নিয়োগ করে জানতে পারে আসলে অপারেটরগুলোর কল/মিনিট প্রতি তাদের খরচ হয় মাত্র ৩২ পয়সা। এতে প্রমাণিত হয়েছে যে, টেলিকম অপারেটরগুলো ভয়ংকর রকমের প্রতারক। সেই প্রতারক টেলিকম অপারেটরগুলোই আবার ইন্টারনেট সার্ভিস প্রেভাইডার (আইএসপি)। ইন্টারনেটের কস্ট মডিউল নির্ধারণের ক্ষেত্রে আইএসপিগুলো প্রতারণার চেষ্টা করলে তাদেরকে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে।

আইএসপিগুলো স্বেচ্ছাচারী ও প্রতারকের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছে। আইএসপিগুলো গ্রাহকদের ঠকানোর জন্য অসংখ্য প্যাকেজ বাজারে ছেড়েছে। তারা সময়মত ও সঠিকভাবে গ্রাহক সেবা দেয় না। আইএসপিগুলোর কল সেন্টারে সেবার জন্য ফোন করা হলে সহজে হিউম্যান রেসপন্স করে না। ১ ঘন্টা পর্যন্ত মিউজিক শুনিয়ে এবং অপেক্ষা করতে বলে চার্জ কেটে নেয়। ইন্টারনেট সার্ভার ডাউন থাকলেও গ্রাহকদের জানার সুযোগ দেয় না। রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন টেলিটকের কলসেন্টারে বেশিরভাগ সময়ই ফোন ধরে না। গ্রাহকের ক্রয়কৃত ইন্টারনেট ডাটা শেষ হয়ে গেলে আইএসপিগুলো জোরপূর্বক চাপিয়ে দেয়া পি১ প্যাকেজের আওতায় প্রতি গিগাবাইট ২১ হাজার টাকা হিসেবে একাউন্টে থাকা সমুদয় টাকা কেটে নেয়। জোরপূর্বক চাপিয়ে দেয়া সময়সীমার অজুহাতে আইএসপিগুলো গ্রাহকদের অব্যবহৃত ডাটা বা এর মূল্য আত্মসাত করে। বাংলালায়ন, কিউবি, ওলোসহ ওয়াইম্যাক্স কোম্পানী; ব্রডব্যান্ড ও টেলিকম আইএসপিগুলোর ৪/৫ দিন পর্যন্ত সার্ভিস বন্ধ থাকলেও মাসিক প্যাকেজ হিসেবে ব্যবহারকারী গ্রাহকদের ওই সময়ের ডাটা বা তার মূল্য আত্মসাত করে। বাংলালায়ন চলতি মাসের ১৪ এবং ১৯ তারিখ টানা চব্বিশ ঘন্টা করে তাদের সার্ভিস বন্ধ করে রেখে গ্রাহকদের সাথে প্রতারণা করে। ওই সময় বাংলালায়ন তাদের কাষ্টমার কেয়ারের নাম্বার ০১১৯৮৯৮৯৮৯৮ নাম্বারটিও অকেজো করে রাখে।
স্বেচ্ছাচারীতা ও প্রতারণা ঠেকাতে আইএসপিগুলোকে গ্রাহক পর্যায়ে দুটি মাত্র সরল প্যাকেজ বিক্রির অনুমতি দেয়া যাবে। একটি ১ মেগাবাইট স্লাবে অন্যটি ১ গিগাবাইট স্লাবে। আইএসপিগুলো তাদের ব্যবসার প্রসার ও প্রতিযোগিতা করবে বিস্তৃত নেটওয়ার্ক, সর্বার্ধিক গতি, নিরবচ্ছিন্ন সংযোগ, সহজ ব্যবহার ও উন্নত গ্রাহক সেবার মাধ্যমে।


গ্রাহক পর্যায়ে স্বল্পমূল্যে দ্রুতগতির ইনটারনেট দেয়ার সবচেয়ে বড় বাধা ফ্রিকোয়েন্সি বা স্পেক্টামের উচ্চমূল্য। ১বছরের মধ্যে সিটি করপোরেশন এলাকার বাইরে গ্রামাঞ্চলে ৬০ শতাংশ কভারেজের জন্য নেটওয়ার্ক স্থাপনের শর্তসাপেক্ষে সকল অপারেটরকে আগামী ৫ বছরের জন্য বিনামূল্যে বা স্বল্পমূল্যে থ্রিজি লাইসেন্স প্রদানের জন্য সরকারের কাছে অনুরোধ জানিয়েছে তথ্যপ্রযুক্তি আন্দোলন। এতে গ্রাহক পর্যায়ে স্বল্পমূল্যে দ্রুতগতির ইন্টারনেট দেয়া সম্ভব হবে।


আরো কর্মসূচি
.bd ডোমেইনঃ ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার অন্যতম অনুষঙ্গ এবং ইন্টারনেট-বিশ্বে বাংলাদেশের পরিচিতির একমাত্র ব্র্যান্ড .বিডি ডোমেইন শুরু থেকেই চরম অবহলার শিকার। নিয়ন্ত্রক বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ কোম্পানী লিমিটেডের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের না বুঝার কারণে বা সদিচ্ছার অভাবে .বিডি ডোমেইন কুক্ষিগত হয়ে আছে। প্রকৃতপক্ষে .বিডি চালু করা হয়নি। .বিডি ডোমেইন চালু জন্য সরকারকে সঠিক দিক-নির্দেশনা দেয়ার প্রয়াসে ‘.bd ডোমেইন - আশু করণীয়’ শীর্ষক রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবে গোলটেবিল বৈঠক করবে তথ্যপ্রযুক্তি আন্দোলন।

‘ফ্রিল্যান্সিং শিল্পের বিকাশে সরকারের ভূমিকা’ শীর্ষক পৃথকগোলটেবিল বৈঠক করবে তথ্যপ্রযুক্তি আন্দোলন।



এছাড়া সময়, পরিবেশ ও প্রযুক্তির উন্নয়নের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে উপযুক্ত কর্মসূচি গ্রহণ করা হবে।

সোমবার, ২৪ জুন, ২০১৩

নোয়াখালী জেলা কমিটি

আহ্বায়ক
জি.এম হায়দার চৌধুরী
Cell: +88-017-38989593

যুগ্ম আহ্বায়ক
-

সদস্য সচিব
-

সদস্য
-

নোয়াখালী জেলা ও উপজেলা কমিটিসমূহ



  • বেগমগঞ্জ উপজেলা কমিটি
  • চাটখিল উপজেলা কমিটি
  • কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা কমিটি
  • হাতিয়া উপজেলা কমিটি
  • সেনবাগ উপজেলা কমিটি
  • সুবর্ণ চর উপজেলা কমিটি
  • সোনাইমুড়ি উপজেলা কমিটি
  • কবিরহাট উপজেলা কমিটি 

রবিবার, ২৩ জুন, ২০১৩

সামনে পুলিশী বাধা ॥ প্রেসক্লাব চত্বরে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত

ইন্টারনেটের কস্ট মডিউল নির্ধারণের ক্ষেত্রে আইএসপিগুলো
প্রতারণার চেষ্টা করলে তাদেরকে আইনের আওতায় এনে
দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে
  • আইএসপিগুলো স্বেচ্ছাচারী ও প্রতারকের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছে
  • প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে ডিজিটাল বাংলাদেশ নয়
  •  বিটিআরসি কাদের স্বার্থে নিস্ক্রীয় থাকছে তা খতিয়ে দেখা দরকার
  • ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার অন্যতম অনুসঙ্গ ইন্টারনেট সহজলভ্য হওয়া প্রয়োজন
  • প্রতিটি গ্রামে স্বল্পমূল্যে দ্রুতগতির ইন্টারনেট দিতে হবে
বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) নিস্ক্রীয়তার সুযোগে আইএসপিগুলোর (ইন্টরনেট সার্ভিস প্রোভাইডারঃ ব্রডব্যান্ড, ওয়াইম্যক্স, টেলিকম) স্বেচ্ছাচারীতা ও প্রতারণার প্রতিবাদে গতকাল ২২ জুন ২০১৩ খৃস্টাব্দ শনিবার সকাল ১১টায় পুলিশের বাধার মুখে রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবে মানববন্ধন করেছে তথ্যপ্রযুক্তি আন্দোলন।
সামাজিক জীবনধারা ও তথ্যমূলক বিনোদন বিষয়ক ওয়েব পোর্টাল ডিয়ারজুলীয়াস.কম -এর কর্পোরেট সোস্যাল রেস্পন্সিবিলিটির উদ্যোগ ও পৃষ্ঠপোষকতায় গ্রাহক পর্যায়ে ইন্টারনেট ব্যবহারের মূল্যহার বিটিআরসি কর্তৃক প্রতি মেগাবাইট ১০ পয়সা এবং প্রতি গিগাবাইট ১০ টাকা হারে এবং সর্বনিন্ম গতি ৫১২ কিলোবাইট অবিলম্বে ঘোষণা ও বাস্তবায়নের দাবিতে আন্দোলনরত সংগঠন তথ্যপ্রযুক্তি আন্দোলন এই মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে।

রবিবার, ৯ জুন, ২০১৩

ইন্টারনেটের দাম কমানোর দাবিতে বনানীতে মাবনন্ধন মঙ্গলবার

গ্রাহক পর্যায়ে ইন্টারনেট ব্যবহারের মূল্যহার বিটিআরসি কর্তৃক প্রতি মেগাবাইট ১০ পয়সা এবং প্রতি গিগাবাইট ১০ টাকা হারে এবং সর্বনিন্ম গতি ৫১২ কিলোবাইট অবিলম্বে নির্ধারণ ঘোষণা ও বাস্তবায়নের দাবিতে তথ্যপ্রযুক্তি আন্দোলনের কর্মসূচির অংশ হিসেবে মানববন্ধন আগামী ১১ জুন ২০১৩ খৃস্টাব্দ মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১১টায় বনানীস্থ কামাল আতাতুর্ক এভিনিউতে অনুষ্ঠিত হবে।
মানববন্ধনে বিভিন্ন বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করবেন বলে জানা গেছে। মানববন্ধনের সমন্বয় করছেন সিটি ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থী বায়েজিদ ইবনে হক ও সাউথ ইস্ট ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থী নাঈম আহমেদ শিশির।
তথ্যপ্রযুক্তি আন্দোলনের সমন্বয়ক জুলীয়াস চৌধুরী মানববন্ধনে উপস্থিত থেকে চলমান আন্দোলন সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য দিবেন বলে জানা গেছে।

শনিবার, ৮ জুন, ২০১৩

গ্রাহক পর্যায়ে ইন্টারনেট ব্যবহারের মূল্যহার অবিলম্বে ঘোষণার দাবি

বিটিআরসিতে তথ্যপ্রযুক্তি আন্দোলনের প্রস্তাব পেশ
গ্রাহক পর্যায়ে ইন্টারনেট ব্যবহারের মূল্যহার, সর্ব নিন্ম গতি ও ব্যবহারবিধি অবিলম্বে ঘোষণা ও বাস্তবায়নের জন্য বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) কাছে প্রস্তাব করেছে তথ্যপ্রযুক্তি আন্দোলন। ২০ হাজারেরও বেশি গ্রাহক ও সচেতন নাগরিকদের মতামত প্রস্তাবের প্রেক্ষিতে গ্রাহক পর্যায়ে ইন্টারনেট ব্যবহারের মূল্যহার প্রতি মেগাবাইট ১০ পয়সা এবং প্রতি গিগাবাইট ১০ টাকা হারে এবং সর্বনিন্ম গতি ৫১২ কিলোবাইট ঘোষণা ও বাস্তবায়নের জন্য প্রস্তাব দেয়া হয়।